. .
সূর্যের তেজ কমছেই না। তীব্র দাবদাহে টাঙ্গাইল জেলাও পুড়ছে। কয়েকদিনের দাবদাহে চরম দুর্ভোগে জনজীবন। সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষজন। ছুটির দিন শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) চাকরিজীবীরা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বের না হলেও খেটে খাওয়া মানুষরা জীবিকার তাগিদে বের হয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। এদিন টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
![]() |
| টাঙ্গাইলে তীব্র গরমে প্রশান্তির আশায় ডিপ মেশিনে গোসল করছেন কয়েকজন। |
টানা কয়েকদিনের দাবদাহে তীব্র গরম সইতে না পেরে প্রশান্তির আশায় কেউ ডিপ মেশিনে গোসল করছেন আবার কেউ ঘন ঘন ঠান্ডা পানি ও ডাব খেয়ে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করছেন। কয়েকদিনের তীব্র গরম ও বারবার লোড শেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন।
. .
কয়েকদিনের মতো শুক্রবার সকাল থেকেই প্রচণ্ড গরম। বন্ধের দিন থাকায় শ্রমজীবী মানুষ ছাড়া অপ্রয়োজনে তেমন কেউই ঘর থেকে বের হচ্ছে না। টাঙ্গাইলে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। স্বস্তি পেতে শ্রমজীবী অনেক মানুষ রাস্তার পাশে জিরিয়ে নিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ হাতে মুখে পানি দিয়ে ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা করছেন।
এদিকে প্রচণ্ড গরমে ডায়েরিয়া ঠান্ডা জ্বরসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে নানা বয়সী লোকজন। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। আবার বিদ্যুৎ এর ঘন ঘন লোডশেডিং যেনো নিয়মে পরিণত হচ্ছে। এমতাবস্থায় নিরবছিন্ন বিদ্যুৎ দাবি জন সাধারণের।
.
.
শহরের আমিনবাগ এলাকার আমিনুল ইসলাম তুহিন জানান, তীব্র দাবদাহ কোথাও এক মুহুর্ত বসে থাকা যাচ্ছে না। এর মধ্যে আবার দিনে ৫ থেকে ৭ বার লোডশেডিং দিচ্ছে এতে পরিবার পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে।
রিকশা চালক জাহাঙ্গীর মিয়া জানান, গরমে সহ্য হচ্ছে না তবুও জীবিকার তাগিদে রিকশা চালাতে আসছে। কিন্তু বারবার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। বেশিক্ষণ একটানা রিকশাও চালাতে পারছেন না। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে টাকা উপার্জনও করতে পারছেন না।
.
.
টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক জামাল উদ্দিন জানান, শুক্রবার টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা নাই। তবে দুদিন পর তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন।

Post a Comment